বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অপচয়, অস্বচ্ছতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করে বছরে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), রাজশাহী। এ লক্ষ্যে সরকারি বিদ্যুৎ-জ্বালানি সেবা মুনাফামুক্ত করা, অতিরিক্ত এলএনজি আমদানি বন্ধ, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টের হোটেল ওয়ারিশানে আয়োজিত ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর ও জ্বালানি সুবিচার’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
সংলাপে বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত ব্যয় ও অদক্ষতার আর্থিক চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর গিয়ে পড়ছে। ‘কস্ট প্লাস মুনাফা’ ভিত্তিক ব্যবস্থায় ব্যয় কমানোর পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে মুনাফার সুযোগও বাড়ে।
বক্তারা আরও বলেন, গত দেড় দশকে প্রতিযোগিতাবিহীন চুক্তি, দায়মুক্তির আইনি ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বলতার কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম ও অদক্ষতা বেড়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন। বর্তমানে সংকট শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটেও রূপ নিয়েছে।
সংলাপে বলা হয়, একসময় দেশে ‘খাম্বা আছে, বিদ্যুৎ নেই’ পরিস্থিতির কথা বলা হতো। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও অনেক কেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। এর আর্থিক দায় শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র ও ভোক্তাকেই বহন করতে হচ্ছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় ব্যয় কমানো এবং ভোক্তার ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমাতে ক্যাবের পক্ষ থেকে ১২ দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেবা মুনাফামুক্ত করে বছরে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়, অতিরিক্ত এলএনজি আমদানি বন্ধ, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা।
এ ছাড়া ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্বালানি দক্ষতা বাড়িয়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ শতাংশ কমানো এবং তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বক্তারা জ্বালানি খাতে অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, জ্বালানি-সংক্রান্ত অপরাধ নির্মূল এবং জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে জনস্বার্থ, জ্বালানি সুবিচার ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত পরিচালনার আহ্বান জানান।
বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ নাগরিক সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ক্যাব রাজশাহীর সভাপতি কাজী গিয়াস। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাব রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হাসনাইন হিকল, ক্যাব রাজশাহীর উপদেষ্টা লিয়াকত আলী, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রাজশাহী জেলার সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদ, ক্যাব ইয়ুথ রাজশাহীর সভাপতি জুলফিকার আলী হায়দার, ক্যাব নাটোরের সভাপতি সামিমা লাইজু এবং সাধারণ সম্পাদক রইস উদ্দিনসহ অন্যরা।
কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি অব্যাহত ছিল।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টের হোটেল ওয়ারিশানে আয়োজিত ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর ও জ্বালানি সুবিচার’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
সংলাপে বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত ব্যয় ও অদক্ষতার আর্থিক চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর গিয়ে পড়ছে। ‘কস্ট প্লাস মুনাফা’ ভিত্তিক ব্যবস্থায় ব্যয় কমানোর পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে মুনাফার সুযোগও বাড়ে।
বক্তারা আরও বলেন, গত দেড় দশকে প্রতিযোগিতাবিহীন চুক্তি, দায়মুক্তির আইনি ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বলতার কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম ও অদক্ষতা বেড়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন। বর্তমানে সংকট শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটেও রূপ নিয়েছে।
সংলাপে বলা হয়, একসময় দেশে ‘খাম্বা আছে, বিদ্যুৎ নেই’ পরিস্থিতির কথা বলা হতো। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও অনেক কেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। এর আর্থিক দায় শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র ও ভোক্তাকেই বহন করতে হচ্ছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় ব্যয় কমানো এবং ভোক্তার ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমাতে ক্যাবের পক্ষ থেকে ১২ দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেবা মুনাফামুক্ত করে বছরে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়, অতিরিক্ত এলএনজি আমদানি বন্ধ, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা।
এ ছাড়া ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্বালানি দক্ষতা বাড়িয়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ শতাংশ কমানো এবং তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বক্তারা জ্বালানি খাতে অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, জ্বালানি-সংক্রান্ত অপরাধ নির্মূল এবং জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে জনস্বার্থ, জ্বালানি সুবিচার ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত পরিচালনার আহ্বান জানান।
বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ নাগরিক সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ক্যাব রাজশাহীর সভাপতি কাজী গিয়াস। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাব রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হাসনাইন হিকল, ক্যাব রাজশাহীর উপদেষ্টা লিয়াকত আলী, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রাজশাহী জেলার সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদ, ক্যাব ইয়ুথ রাজশাহীর সভাপতি জুলফিকার আলী হায়দার, ক্যাব নাটোরের সভাপতি সামিমা লাইজু এবং সাধারণ সম্পাদক রইস উদ্দিনসহ অন্যরা।
কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি অব্যাহত ছিল।
ইব্রাহীম হোসেন সম্রাট